Shadow

যৌন হয়রানি   

যৌন হয়রানি

যৌন হয়রানি   
যৌন হয়রানি

বর্তমানে যৌন হয়রানি একটি সামাজিক ব্যধি হয়ে  দাঁড়িয়েছে । একটি সামাজিক ও মারাত্নাক অপরাধ । যৌন হয়রানির স্বীকার

সাধারণত মেয়েরা হয়ে থাকে । তবে ইদানিং মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেরাও এর স্বীকার হচ্ছে । এই ব্যধি রোধ করার জন্য

আমাদের দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া উচিত। যদি আমরা এটি না বন্ধ করতে পারি তবে আমরা জাতী হিসাবে অনেক পিঁছিয়ে পড়বো ।

যৌন হয়রানি

মেয়েরা কী ভাবে যৌন হয়রানি হয় এ নিম্মে আলোচনা করা হলঃ

বাসেঃ যাতায়াতের জন্য যানবাহন হিসাবে মেয়েরা অনেক সময় বাস ব্যবহার করে থাকে । বাসে যাত্রি উঠানোর সময় অনেক

সময় ইচ্ছাকৃত ভাবেই হেল্পার মেয়েদের গাঁইয়ে হাত দিয়ে থাকে । আবার মেয়েরা যখন বাসে দাঁড়িয়ে কথাও যায় তখন অনেক

যাত্রী ইচ্ছাকৃত ভাবেই মেয়েদের  গাঁয়ে হাত দিয়ে বা ধক্কা দিয়ে থাকে । এতে মেয়েরা যৌন হয়রানির স্বীকার হয়ে থাকে ।

রাস্তায় পথ চলার সময়ঃ মেয়েরা যখন রাস্তায় পথ চলে তখন তাদের দেখে কিছু বকিয়ে যাওয়া ছেলে মেয়ে নানা রকমের মন্তব্য

করে থাকে । তাদের উদ্দেশ্য করে বাজে কথা বাত্রা বলা হয়ে থাকে । এতে করে একটি মেয়ে যেমন নিরাপত্তাহীনতায় ভুকে ঠিক

তেমনি যৌন হয়রানির স্বীকার হয়ে থাকে ।

যৌন হয়রানি

যৌন হয়রানি   
যৌন হয়রানি

কর্ম স্থলেঃ আমাদের দেশের কর্মস্থলে সাধারণত নারী কর্মীর সংখ্যা অনেক কম। তারা সংখ্যালঘু জন্য অনেকেই তাদের দমিয়ে

রাখার চেষ্টা করে । তাদের ধারণা মেয়েরা অবলা । তাদের প্রতিবাদের কোন ভাষা নেই । মেয়েরা সব কিছু মুখবুঝে সহ্য করবে ।

এত করে কথায় ভাব ভঙ্গীতে মেয়েদের সেক্সুয়াল দিকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে । অনেক সময় বাজে মন্তব্য করতে থাকে ।

একটা মেয়ে যদি নিজ মেধায় অনেক দূর এগিয়েও যায় তবুও তাদের ধারণা একটা মেয়ে হয়তো খারাপ কিছু করেই পদ উন্নতি

করেছে । অনেক সময় কর্মস্থলে মেয়েদের একা পেয়ে খারাপ প্রস্তাব দিয়ে থাকে । আবার কর্মক্ষেত্রে উর্ধতন কর্মকর্তা তাদের পদ

উন্নতির কথা বলে নানা ধরণের প্রস্তাব দিয়ে থাকে । এতে নারীদের সামাজিক অধকার যেমন ক্ষুন্ন হয় ঠিক তেমনি যৌন হয়রানির

স্বীকার হয় ।

বাড়িতেঃ আমাদের পুরুষ শাসিত সমাজ মেয়েদের সব সময় দমিয়ে রাখার চেষ্টা করে । তাদের ধারণা মেয়েরা শূধুই বিলাসীতার

পণ্য । এইজন্য কিছু চরিত্রহীন ব্যক্তি বাড়িতে ছোট মেয়েদের কাছেও সুযোগ দিয়ে থাকে । দুলাভাই শালীর এবং দেবর দ্বারা ভাবী

যৌন হয়রানি

যৌন হয়রানি
যৌন হয়রানি

হয়রানী বন্ধের জন্য কয়েকটি পদক্ষেপ নিম্মে তুলে ধরা হল।

বাসে মেয়েদের জন্য নিরাপদ ব্যবস্থা করাঃ মেয়েরা যাতে নিরাপদে বাসে যেতে পারে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। মেয়ে

আসনে মেয়েদের বসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে । বাসে যাতে মেয়েরা ঠিকভাবে বসে যেতে পারে সে জন্য তাদের বসার

জায়গা করে দিতে হবে । প্রয়োজনে তাদের আসন ছেড়ে দিতে হবে ।

কর্মক্ষেত্রে তাদের সম্মান দেয়াঃ কর্মক্ষেত্রে মেয়েরা পুরুষদের পাশাপাশি শ্রমদিয়ে একটা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে নিয়ে যেতে

সহযোগীতা করে থাকে । তাই তাদের অবদান পুরুষদের চেয়ে কম না। তাই কর্মক্ষেত্রে তাদের অবস্থান ও সম্মান যেন ঠিক থাকে

সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

বাসায় মর্যাদা ঠিক রাখতে হবেঃ বাসায় একটা মেয়ে নানা ভাবে যৌন হয়রানীর স্বীকার হয় । বাড়ীতে যে সব পুরুষ নারীদের মর্যাদা

দিতে জানে না তাদের কাছে থেকে দূরে থাকতে হবে। এবং শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে ।

আইনের  সঠিক প্রয়োগঃ যৌন হয়রানী বিষয়ে সরকার অনেক আইন প্রনায়ন করেছে । সেই আইন গুলো ব্যস্তবায়নে আমাদের

একত্রে কাজ করে যেতে হবে । যারা যৌন হয়রানীর সাথে জড়িত যাদের আইনের কাছে সমার্পণ করতে হবে ।

নারীরা  একটা দেশের সম্মান । সবধর্মেই নারীদের অনেক মর্যাদা দেয়া হয়েছে । নারীরা পরিবারের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে । তাই

তাদের যথাযথ সম্মান দিতে হবে । তাহলেই যৌন হয়রানী বন্ধ করা সম্ভব ।

যৌন হয়রানি

যৌন হয়রানি
যৌন হয়রানি

হয়রানী বন্ধের জন্য কয়েকটি পদক্ষেপ নিম্মে তুলে ধরা হল।

বাসে মেয়েদের জন্য নিরাপদ ব্যবস্থা করাঃ মেয়েরা যাতে নিরাপদে বাসে যেতে পারে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। মেয়ে

আসনে মেয়েদের বসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে । বাসে যাতে মেয়েরা ঠিকভাবে বসে যেতে পারে সে জন্য তাদের বসার

জায়গা করে দিতে হবে । প্রয়োজনে তাদের আসন ছেড়ে দিতে হবে ।

কর্মক্ষেত্রে তাদের সম্মান দেয়াঃ কর্মক্ষেত্রে মেয়েরা পুরুষদের পাশাপাশি শ্রমদিয়ে একটা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে নিয়ে যেতে

সহযোগীতা করে থাকে । তাই তাদের অবদান পুরুষদের চেয়ে কম না। তাই কর্মক্ষেত্রে তাদের অবস্থান ও সম্মান যেন ঠিক থাকে

সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

বাসায় মর্যাদা ঠিক রাখতে হবেঃ বাসায় একটা মেয়ে নানা ভাবে যৌন হয়রানীর স্বীকার হয় । বাড়ীতে যে সব পুরুষ নারীদের মর্যাদা

দিতে জানে না তাদের কাছে থেকে দূরে থাকতে হবে। এবং শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে ।

আইনের  সঠিক প্রয়োগঃ যৌন হয়রানী বিষয়ে সরকার অনেক আইন প্রনায়ন করেছে । সেই আইন গুলো ব্যস্তবায়নে আমাদের

একত্রে কাজ করে যেতে হবে । যারা যৌন হয়রানীর সাথে জড়িত যাদের আইনের কাছে সমার্পণ করতে হবে ।

নারীরা  একটা দেশের সম্মান । সবধর্মেই নারীদের অনেক মর্যাদা দেয়া হয়েছে । নারীরা পরিবারের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে । তাই

তাদের যথাযথ সম্মান দিতে হবে । তাহলেই যৌন হয়রানী বন্ধ করা সম্ভব ।

যৌন হয়রানি
যৌন হয়রানি

Leave a Reply

Your email address will not be published.