Shadow

সর্বনাশা মাদক   

সর্বনাশা মাদক

সর্বনাশা মাদক
সর্বনাশা মাদক

একটই জাতীকে ধ্বংস করতে মাদকই যথেষ্ট ।  মাদক কেড়ে নেয় অকাল প্রাণ ।নষ্ট করে দেয় যুব সমাজ । একটি দেশকে

পিঁছিয়ে দিতে মাদক জাজ দ্রব্যই যথেষ্ট । মাদক শুধু একটা নষ্ট করে না ,বরং মাদকাসক্ত ব্যক্তির সাথে জড়িয়ে থাকা তার

পরিবারের সুখ শান্তি কেড়ে নেয় । একজন মাদকাশক্ত ব্যক্তি পরিবারে যেমন ঘৃর্ণিত তেমনি দেশ ও সমজের প্রতিটা মানুষের

কাছে ঘৃর্ণার পাত্র । মাদকাশক্ত ব্যক্তির কাছে থেকে সকলেই দূরে অবস্থান করার চেষ্টা করে ।

সর্বনাশা মাদক

সর্বনাশা মাদক
সর্বনাশা মাদক

মাদকের কুফল নিম্মে আলোচনা করা হলঃ-

শিক্ষাজীবন নষ্ট হয়ে যাওয়াঃ শিক্ষার্থীরা মাদক গ্রহণের ফলে মানুসিক ও শারীরিক মানুসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় । যার ফলে

পড়াশুনায় মনযোগ দিতে পারে না । একসময় মাদকের কুপ্রভাবে মানুসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে । তখন সম্পূর্ণ পড়াশূনা

থেকে বিছিন্ন হয়ে পড়ে।

সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধি ঃ যারা মাদকাসক্ত তারা নির্দষ্ট সময়ে মাদক গ্রহণ করতে  না পারলে  অদ্ভুত আচরণ করতে থাকে ।

অনেকে সময় মানুসিক ভারসাম্য হারিয়ে অনেক অপকর্মের সাথে যুক্ত হয় । তাছাড়া এই সব মাদকের দাম অনেক ব্যয় বহুল

হওয়ায় তারা চুরি ছিনতাই এর মতন অপরাধের সাথে যুক্ত হয় । তারা সমাজের যেমন আতঙ্কের নাম ঠিক তেমনি পরিবারের

জন্যও হুমকী স্বরূপ ।

কিশোর অপরাধ বৃদ্ধিঃ  একটা কিশোর যখন মাদকের সাথে জড়িয়ে যায় ,তখন তার চিন্তা থাকে কীভাবে মাদকের টাকা উপার্জন

করা যায় । এতে তারা টাকা না পেয়ে অনেক সময় পরিবারের টাকা চুরি করতে থাকে পরবর্তীতে সমাজের বড় বড় অপরাধের

সাথে জড়িত হতে থাকে ।

সর্বনাশা মাদক

সর্বনাশা মাদক
সর্বনাশা মাদক

আত্নহত্যার হার বৃদ্ধিঃ মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের নিজদের উপর কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না। মাদক গ্রহণ না করতে পারলে তাদের মাঝে

বিকট পরিবর্তন দেখা দেয় । অনেক সময় আত্নহত্যার হুমকী দিয়ে পরিবারের কাছে টাকা নিতে থাকে । একটা পর্যায়ে যখন

পরিস্থিতি বাহিরে চলে যায় ,জীবনের প্রতি তাদের ঘৃর্ণা চলে আসে তখন তারা আত্নহত্যার পথ বেঁছে নিতে বাঁধ্য হয় ।

ধবর্ষনের হার বৃদ্ধিঃ মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের নিজেদের উপরে  কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না । এরা সামাজিক ভাবে অবহেলিত হয়ে থাকে

। এদের সাথে কেউ মেয়েও বিয়ে দিতে চায় না । এদের কোন হিতাহিত জ্ঞান থাকে না , এদের কাছে মেয়েদের কোন সম্মান থাকে

না । এরা যখন নেশায় আসক্ত থাকে কোন সাধারণ লজিকটা এদের কাজ করে না । তাই সুযোগ পেলেই এরা ধবর্ষন এর মতন

অপরাধ করএ বসে ।

পুরুষের বন্ধাতব সৃষ্টিঃ যারা নেশায় আসক্ত থাকে তাদের যৌন শক্তি হ্রাস পায় । ফলে তাদের দাম্পত্য জীবন সুখের হয় না । এবং

বাচ্ছা নিতে সমস্যা হয় ।

মাদকাসক্ত হওয়ার কারণ ঃ আমাদের দেশে মাদকের সহজলভ্যতা বেশি । যেখানে সেখানে সরাসরি মাদক দ্রব্য বিক্রয় হয় ।

যার কারণে মাদকাসক্তের পরিমাণও দিন দিন বেড়েই চলেছে ।

সর্বনাশা মাদক

সর্বনাশা মাদক
সর্বনাশা মাদক

মাদক নিয়ন্ত্রণে আমাদের করণীয়ঃ মাদক নিয়ন্ত্রণে আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে পারি । যেগুলো বাস্তবায়ন হলেই মাদক

নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব । নিম্মে বেশকিছু পদক্ষেপের কথা আলোচনা করা হলঃ

মাদকদ্রব্য বিক্রয় নিয়ন্ত্রঃ প্রথমেই মাদকদ্রব্য বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে । দেশে মাদকদ্রব্য হ্রাস করতে হবে ।

আইনের প্রয়োগঃ মাদকগ্রহনের বিরুদ্ধে সচ্চার হতে হবে । কঠিন থেকে কঠিন তম আইন প্রয়োগ করতে হবে । কেউ মাদক

বিক্রয় করলে তাকে আইনের আওয়াতায় আনতে হবে। সেই সাথে যে গ্রহণ করবে তাকেই কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তি দিতে

হবে ।

ধর্মীয় বিধিনিষেধ মানাঃ সব ধর্মেই মাদককে না বলা হয়েছে । এবং মাদক সম্পর্কে ধর্মীয় বিধানে শাস্তির কথা বলা হয়েছে ।

প্রত্যকে এই বিষয়ে সচেতন করতে হবে ।

পরিবারের পদক্ষেপঃ প্রতিটি পরিবারকেই তাদের সন্তানের প্রতি যত্নশীল হতে হবে । তাদের সন্তান কার সাথে মিশে এবং কোথায়

যায় সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে ।

সর্বনাশা মাদক

সর্বনাশা মাদক
সর্বনাশা মাদক

মাদক শুধু ব্যক্তিরই জীবন নষ্ট করে না , বরং পরিবারের সাথে সাথে সমাজেরও শান্তি নষ্ট করে । তাই আমাদের উচিত পরিবারের

সাথে সাথে সমাজের প্রতিটা মানুষকেই সচেতন হতে হবে যাতে সমাজে মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকের পরিমাণ বেড়ে না যায় ।

মাদক নিয়ন্ত্রণে আমাদের করণীয়ঃ মাদক নিয়ন্ত্রণে আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে পারি । যেগুলো বাস্তবায়ন হলেই মাদক

নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব । নিম্মে বেশকিছু পদক্ষেপের কথা আলোচনা করা হলঃ

মাদকদ্রব্য বিক্রয় নিয়ন্ত্রঃ প্রথমেই মাদকদ্রব্য বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে । দেশে মাদকদ্রব্য হ্রাস করতে হবে ।

আইনের প্রয়োগঃ মাদকগ্রহনের বিরুদ্ধে সচ্চার হতে হবে । কঠিন থেকে কঠিন তম আইন প্রয়োগ করতে হবে । কেউ মাদক

বিক্রয় করলে তাকে আইনের আওয়াতায় আনতে হবে। সেই সাথে যে গ্রহণ করবে তাকেই কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তি দিতে

হবে ।

সর্বনাশা মাদক
সর্বনাশা মাদক

ধর্মীয় বিধিনিষেধ মানাঃ সব ধর্মেই মাদককে না বলা হয়েছে । এবং মাদক সম্পর্কে ধর্মীয় বিধানে শাস্তির কথা বলা হয়েছে ।

প্রত্যকে এই বিষয়ে সচেতন করতে হবে ।

পরিবারের পদক্ষেপঃ প্রতিটি পরিবারকেই তাদের সন্তানের প্রতি যত্নশীল হতে হবে । তাদের সন্তান কার সাথে মিশে এবং কোথায়

যায় সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে ।

মাদক শুধু ব্যক্তিরই জীবন নষ্ট করে না , বরং পরিবারের সাথে সাথে সমাজেরও শান্তি নষ্ট করে । তাই আমাদের উচিত পরিবারের

সাথে সাথে সমাজের প্রতিটা মানুষকেই সচেতন হতে হবে যাতে সমাজে মাদকাসক্ত ব্যক্তি ও মাদকের পরিমাণ বেড়ে না যায় ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.