Shadow

ক্রিকেটে সাইকোলজিক্যাল সার্পোট

ক্রিকেটে সাইকোলজিক্যাল

ক্রিকেট একটা মানসিক খেলা। ব্যাটিং, বোলিং আর ফিল্ডিং প্রতি ক্ষেত্রেই অসাধারণ মানসিক সক্ষমতা প্রদর্শন করতে হয়। এবার

টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপের টিভিতে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের মুখভঙ্গি, দেহভঙ্গি এবং নড়াচড়া দেখে মনে হয়েছে তারা

মানসিক চাপটা আর নিতেই পারছেনা। মাহমুদউল্লাহসহ বেশ কিছু খেলোয়াড়দের বিষন্ন ও বিদ্ধস্ত চেহেরায় তাদের মানসিক

অবস্থা ফুটে উঠেছে ।

ক্রিকেটে সাইকোলজিক্যাল সার্পোট

ক্রিকেটে সাইকোলজিক্যাল
ক্রিকেটে সাইকোলজিক্যাল

আপনি ইউটিউবে, লিটন আর সৌম্য সরকারের ব্যাটিং দেখেই বুঝতে পারবেন তারা কতটা ক্লাসিক ক্রিকেট শর্ট খেলেন। কিন্তু

এবার তারাও মানসিক চাপের কারনে কোন বলটা কি শট খেলবে সেই সিদ্ধান্তও নিতে পারছে না। আর মুশফিক তার প্রিয় শট

নিতে গিয়েই বেশিরভাগ ম্যাচে আউট হয়ে গেছেন। এগুলো থেকে স্পষ্ট বলা যায় ক্রিকেটাররা মানসিক চাপটা অসহনীয় হয়ে

উঠেছে।

ক্রিকেটারদের মানসিক চাপ মোকাবেলা না করতে পারলে অবস্থা আরো ভয়াবহ হবে। বিসিবি বিদেশি সাইকোলজিষ্টদের ভাড়ায়

এনে ২/১টা সেশন করে এসব বিষয় সমাধান করে থাকেন। কোন কোন ক্ষেত্রে বোর্ডের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা দুই/একজন

অনুবাদক হিসেবেও থেকে যোগাযোগ করান। আবার যাদের উপর দলে চান্স পাওয়াও নির্ভর করে। ফলশ্রুতিতে, জাজমেন্টের ভয়ে খেলোয়াড়রা মন খুলে বলতেও পারেন না।

সাইকোলজিক্যাল সাপোর্ট দিতে গেলে একজন মানুষের কৃষ্টি, কালচার, বেড়ে উঠার প্রক্রিয়া, প্যারেন্টিং স্টাইল, পরিবারের শিক্ষন, ছোটবেলা থেকে শুরু করে সব ধরনের Predisposing facotor জানা প্রয়োজন। এগুলোর সাথে বর্তমানের সমস্যাগুলো সম্পৃক্ত। একজন ভিনদেশীর কি এসব বোঝার ক্ষমতা আছে?

জরুরি ভিত্তিতে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সকল স্তরে দেশীয় উচ্চতর ট্রেনিং সম্পন্ন সাইকোলজিষ্ট নিয়োগ দেয়া জরুরি। প্রয়োজনে এই প্রফেশনালদের দেশ-বিদেশে ক্রিয়া মনোবিজ্ঞানে ট্রেনিং করিয়ে আনা যেতে পারে।

এটা মনে রাখা দরকার, সব দিকে যখন না পাওয়ার বেদনার হাহাকার, তখন ক্রিকেট দলের একটা জয় বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের মুখে নতুন আশার সঞ্চার করে। তাই এই ব্যর্থতা মেনে নেয়াটা খুবই কঠিন।

আশাকরি, আবার পত পত করে বাংলাদেশের জয়ের পতাকা উড়ুক আর ক্রিকেটারদের সাথে আপামর জনসাধারণ গেয়ে উঠুক, “আমরা করবো জয়…….

Leave a Reply

Your email address will not be published.